জানিয়া রাখো দেহধারী প্রাণ, যারা মরিয়া গেছে কেউ হারাইনি, হারাইছে দেহ প্রাণ।
মহাময় সত্ত্বারামের সত্ত্বায়িক চারণ, অবিনশ্বর ঈশ্বরের, নশ্বরে বিবিধ জীব জীবনায়ন।
অগ্নি, জল, বায়ু, মৃত্তিকার সক্রিয় পরিক্রমা সত্ত্বার সঞ্চারণ, দেহবিন্তে হয় পরাগায়ন।
মহা শূন্যতার শূন্য গগণ, সৌরজগৎ, গ্রহ, নক্ষত্র, চিরায়ত স্বয়ংক্রিয় মহা বৃহতায়ন।
অনন্ত হর্তাহপাকের চিরন্তর সৃজায়ন, চক্রায়নে আসে পরিবর্তন, নিঃশেষ নাই কারণ।
আয়ন বিয়ন সামগ্রিক সংজ্ঞায়ন, জীবন ও জগৎ চিরনন্তন, চিরায়িত শ্রিয়তর চিত্রায়ান।
শোনো মানব শেষ হইয়াও হয়বার নই শেষ, মৃত্যু নিয়ে ভাবছো মিছে, জন্মের শর্ত বিশেষ।
জ্ঞান দ্বিপ্ত ভগবান খন্ডাতে পারিবা নাই, মহামান্য সৃষ্টি কর্তার, কৃতিত্ব প্রজ্ঞাময় মহিম।
ভাবের তরী ভাবুক নন্দন, মনের ঘাঁটে মন-মহাজন, মনের দামে কিনলো মানিক রতন।
অসীম স্রষ্টাপাকের সিমাহীন সৃষ্টি, গুনে পেড়ে পাবে নাই, তার কোন কিছুরই কমতি ।
যার যেই জীবনে সেই হই প্রাপ্তি, জাতিভেদ হয় রেশারেশি, কুসংস্কার ভবতারী শাস্তি।
হাইরে হাই গিয়াছে বেলা, জাত ও জাতীর অনুমানে রঙ্গখেলা, চোরের পিতার বড় গলা।
মুসলমান, খ্রিষ্টান, বোদ্ধ, হিন্দুরা, স্বার্থের দন্ধে হয়েছে দিশেহারা, দিব্যে বিবেক ছাড়া।
আপনার মাঝে আপন যে জন, তাহারে তুমি চিনলা না, প্রিয় মনের মানুষ খুজলা না ।
দলে বলে স্বভাব জাত অরণ্যে, পশুত্বে জোয়ারে গেলে তলায়ে, নিজের ভালো বুঝলা না।
আমার তোমার করলে কোথায়, অনন্ত এই পৃথিবী গায়, এক আদম-আল্লাহ চিনলা না।
তিনি এলেন তাই পৃথিবী সৃষ্টি, তিনি আছেন দেহীফারুক লিখছি, আপন খবর দেখলা না।
পরের কথায় লোভ দুর-আশায়, কাছের মানুষ হেলায় সরাই, জাত-বি-জাতের তর্ক লড়াই।
যারা ধর্মের কাচকলা দেখাই, ভিন-ভাষি ক্রীতদাসে ধর্মশালায় দৌড়াই, অন্তরযামীর অন্তরায়।
আমি অনন্তের পূজারী হবো, আদম সত্যের প্রাণ নেবো, শ্রেয় সত্যানন্দের চরণ পাবো।
মহাপ্রভুর মুখে দিয়া বিষ, তোরা বর্বর করেছিস ইষ ফিস, বাংলার মহা মানব না চিনিস।
ভয়াবহ মিথ্যার মখোশ লাগাই, পাপিষ্ঠ মাংসাসী বেদুঈনের বড়াই, স্বার্থে মাতেলা কসাই।
পাপের দুনিয়াই তারা হইয়াছে বীর, রক্তের নেশায় যারা ছাড়িয়াছে নীড়, রাক্ষস যখন পীর।
হে মানবের মহান অবতার, চূর্ণ-বিচূর্ণ করো মিথ্যার অহমিকা আধার, তবো শ্রেয় পদভার।
সাধ্য আছে কার বাবার, কাড়িয়া নেই সেই মানুষের অধিকার, মনের মানুষ মর্মে যাহার।
নরক প্রাণীর কবল থেকে করো উদ্ধার, তোমার পবিত্র আকার, এ শপথ তোমার আমার।
পূণ্যবানে দাও চিরন্তন আবাসন, পাপীরে করো চিরায়িত নির্বাসন, পন্ড কর জ্বীনের আগ্রাসন।
কে আসল কে হইয়াছে নকল, দেখা যাবে এবার উঠিয়াছে ধকল, নিকটে সত্য হবে সহল।
ভুতের মুখে ভগবানের নাম, তাতে হবে না আর কোনো কাম, উল্টো সাল বিঁধি হলে বাম।
বিভিশার ছাইয়াছে ক্রান্তিকাল, মনুষত্ব বিকাই পশুত্বে তাল-মাটাল, হুর রে শেষ আকাল।
যাইওনা,যাইওনা ঘরের বাহিরে, আপনারে সাজিয়ে নেবো সুর মঞ্জিলে, মোর মন মন্থিলে।
বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দেবার মত কথা লিখেছেন গুরুজী।
ধন্যবাদ হে প্রিয়
যে তথ্য যে কথা এটা অনেকেই বুঝবে অনেকেই বুঝবে না অনেকেই তর্ক করবে অনেকেই বলবে খুব ভালো হয়েছে আমি ভাল’র দলে
স্বাগতম হে প্রিয়, আপনার মূল্যবান কমেন্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমার পক্ষ থেকে অফুরনন্ত ভালোবাসা নিয়।