অনেক বড় কষ্ট এলো প্রাণে
তবু কেমন জানি আনন্দ জানে।
মেয়ে আছে পড়ে দুর্ভোগ পুরে
কখন জানি তারে আনবো কেড়ে।
মারে আমার প্রাণের পুটিলা
জনম আরাধ্য স্বর্গত্রী সুরেলা।
প্রকৃতি ছাড়া এ দ্বীন দুনিয়া
সবি হলো মোর আওলা ঝাউলা।
দানবের লাগি মানব ফেলে
পরকীয়ানী সে যে গেছেন চলে।
রাক্ষসী সেই নানির ফেরে
আমার মামণীকে জিম্মি ধরে।
হাড় কটমটি রে কামড়ে মরে
বুড়ীর রঙ্গলীলা করে মদ্দের তরে।
টিয়োনো তারে বলিয়াছে চাঁচি
সচিবের ভাই ডাকিতেছে আম্মী।
চাঁচি কি আর চাঁচি আছে!
চাচির চুলকায় চাচার নেকামেচি।
বেশ্যার মায়ের একি ছত্রিশ কলা
চাঁচি পান চিবায় পিকচারি সারাবালা,
চাঁচি ও মেয়েরা বেশ খোলামেলা
ফতে চুটকির এসেছে উঠতি বেলা।
রপ্তে রমনী মায়ে বোনের ছলা,
লজ্জাহীন লালসা নাই হেলাফেলা।
কর্মের ফল সে স্বভাবে ধরা
ধর্মচোরার চকমকে বোরখা পরা।
চোরে না শোনে সত্য কথা
নাস্তিকদের চোয়ালে পড়ুক ঠাটা।
একান্ত পরম আত্মার সন্ধানে
বাওলা দেহীফারুক জীবন নাচে গানে।
অসম্ভব ধৈর্যের ফলাফলে আজি
কবি ফিরে পাবে রাহুমুক্ত প্রকৃতি।