জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব ২০

হর্তাহর প্রেমে প্রেমিক যে জন, জীবের প্রেমে ধন্যিে সে জীবন, বিশ্বাস যেমন বুঝবে তেমন।
এ জগত ও জীবন নইরে অকারণ, অনন্তর মাঝে জীবন্ত আবাসন, প্রেমহীনার নরকে গমন।
পালাবার পথ নাই, অবক্ষয়ের সেই দিন ভাবো নাই, এমনি কি হই নগতে প্রাপ্ত, শুক্ষ যে প্রাণ?
লাইন ছাড়া চলে নারে ট্রেন গাড়ি, আদম ছাড়া প্রভূর প্রকাশ কই পেলি, সেই হইছে আখেরী।
ভ্রমের সাত প্যাচে বাঁধা, বিবেক হারাইছে গাঁধা, দেখতে মানব চমৎকার বাহ!বা মুখোশধারী।
যদি তারা জানতো, আধুনিকতার শিকারে যান্ত্রিকতার জোয়ারে, রকেট নভোচারী না উড়তো।
তারা যদি মানতো,তাহলে কি আর যুদ্ধ যন্ত্রনায় জীবন পৃথিবী গাঁয়,পারমাবিক অস্ত্রে পুড়তো?
যদি তারা বুঝতো বাসযোগ্য জীব লীলা-নিকেতন, অবাস যোগ্য অশান্তিতে না ভরে তুলতো।
হায়রে ইট পাথরের ইমারত দর্গা, মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগাডা বানাই, স্রষ্টা না বেচতো !
তারা যদি চিনতো, তবে কি আর এমনি করে পশুত্ব জিয়াইয়া,মনুষ্যত্ব নাশকতায় না মাততো।
হিংসাত্নাক বোমারু জঙ্গীবিমানে,ট্যাংক,মিসাইল,মরণাস্ত্র সমরে, নৃশংসতায় নিকৃষ্টে না মরতো।
যদি তারা নিজেকে নিয়ে ভাবতো, স্রষ্টার সৃষ্টির প্রতি অনবিচার, কেমনে এভাবে তারা আনতো ?
হারাম হালাল বয়ান পেড়ে, জীব প্রাণের হত্যা করে, উদর ভর্তিতে পেটুক আনন্দে না সাজতো।
ভিন্নভাষা সংস্কৃতিকে, অন্তরযামীর ভাষা বলে যারা দাবি করছে, সহি মিথ্যুক যদি তারা জানতো !
এমন কোনো ভাষা সংস্কৃতি নাই, যেখানে ভগবানের প্রতিনিধি-পূত আসে নাই, জাইগা দেখো।
যে পরম করুণাময় অন্তরযামি, কাউকে নরকে নেই নাই, তাহার সংবাদ বারংবার অবগত ছাড়া।
লোভে বইয়ো না পাপের ঝুলা, বইয়ে এনেছিলো বর্গী লুটেরা পাপিষ্ট যারা, লাফাঙ্গার ধর্ম চোরা।
চোখের জ্যোঁতির এমন ধারা, আলো আধার পলকে যাই চেনা, ভালো মন্দ ঐ বিবেকে পাই ধরা।
জাত আর জাতের ঢুষ পাড়ারদিন, আইছে নেমে শেষ খেলা, হাই হাইরে কি হইছে এই কালবেলা।
রাত পোহাবার আর কত বাকি, অনন্তচেতনার দেহীফারুক খোলো আঁখি,আদমেতে নিরীখ রাখি।
তুমিও বাঙালি, আমি ও বাঙালি! বঙ্গ আমাদের অন্তর-শ্রেয় প্রসারী, মাতিৃভাষায় যার যেই দিশারী ।
নিজে বাঁচলে নিজের নাম, নিজের ভাষা নিজের ভাবনা প্রকাশ ধাম, নিজের আরাধনা নিজের কাম।
পবণ দেশে পবণ মহামন্ডল, জলের দেশে মহাতঙ্গল, মাটির দেশে মাটি আছে কে খুজিবে তার তল।
মেঘের দেশে মেঘ ছুটেছে, পাহাড় বাধার ছল, পাহাড় হলে ভুবণ পেরেক, বুঝরে ওহে রশিক দল।
মুমিন চেনার ঈমান মাপার, বড়ই প্রেমিক জন, প্রভু মহান মালিক সুবহান, মহিম মহৎ হে মহাময়।

সফল প্রেমে দিশা পেলে, সফলকর্তা তোমা হলে, কার সাথে করছো লড়াই, জীবনতো প্রভুর দয়াই।
জীবন বধি জানতে যদি, করতে না আপন ক্ষতি, যা হইবার তা হইয়া গেলো, হাশর নশর বরাবরী।
প্রাণি রক্তে রক্তাক্ত ভোজনপিপাসী,খাতারনাগ শয়তানের সাগরেদ শিষ্যাদী,তালকানা ভূগোল পূজারী।
রক্ষক হইয়াছে যখন ভক্ষক, মানুষের আদলে ওরা রাক্ষস, মহাপাপে ঘিরিয়াছে তাহাদের পাপের গাত্র।
যবানিকা হোক এমন মানব অসভ্যতা, নরক গিলিয়া ফেলুক সকল প্রেতাত্না, সর্বে সত্ত্বা শান্তির প্রাপ্তা।
হে প্রজ্ঞাময় প্রেমনন্দ মহাশয়, সর্ব সাকুল্যে মহামিথ্যার হোক ক্ষয়, মহামান্য আদম সত্যের হোক জয়।

20 thoughts on “জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব ২০

Leave a Reply