নিশ্চয় সক্রিয় সুন্দর পৃথিবী হবে, পাপী তাত্তা নরকের পেটে নেবে, মানব অনন্ত বাগিচায় যাবে।
কুসংস্কার ভন্ডামীর অবসানে, আদ্যত্ব আদমের জ্ঞান ভান্ডারে, যার স্বভাবে সেইখানে পৌছাবে।
অবশ্যই অবাধ্য সব বাধ্য লবে, ভুলের মোহে ঘেরা অবাধ্য সবে, বীষ কাঠায় গিয়ে বিধবে তবে।
অধর্মের অন্ধত্ব অনাচার বটে, মহাবিপত্তিতে বিমজ্জিত সমাজ সংসারে, মহামারি লাগরে মড়কে।
মহাপাপে অঙ্গার হইয়াছে তাহারা, পাপ হইয়াছে ওষুধ ডাক্তার বাবু খিলাও, আইলো নয়া অসুখ।
হায়রে মানব জঘন্য যখন, সর্বত্রে দেখলাম দৌপায়া জানোয়ারের অধম, সৃষ্টি শ্রেষ্টত্ব কই তার।
বইতে পারিবেনা আর বেশি দুর, এ অসভ্যতা হবে ভাংচুর, মাছলোভে বক-ধার্মি হোক নির্মূল।
জীবনও যৌবনের গতি, কার সনে হই কার প্রিরিতি, জাত জাতির তাগিদ,বাধরে গলে তাবীজ।
অযৌক্তিক অস্বাভাবিক গরল, ঢেলেছে কর্ণে বিষাক্ত পারদ, আরব্য চামচার বেওয়ারিশ গারদ।
চাই বিচার ও আমার ভগবান, বঙ্গে বাঙালীকে নিয়ে বারংবার করেছে লাঞ্চিত, নির্মম হত্যাচার।
আমি হিন্দু , যবন বুঝি না, রবীঠাকুরের সোনার বাংলা মোদের ঠিকানা, ওরা ঘাতক দুষমন লুটেরা।
ওরা বিজাতি ফাছিক হায়না, ওদের ভাষা সীমানায় হই না, জাগো বাঙালী ওরা মোদের ভাই না।
ওদের লোভাতুর লিপ্সা,রক্তের নেশায় নেশাচর বানাই কেচ্ছা, শান্তির মোড়কে অশান্তির ব্যবসা।
কালপীঠ কালুয়াত ইকতার খিলজী, মোদের সংস্কৃতি ভষ্মিভূতকারি,মাহমুদ,ঘোরি নৃশংস-জুয়ারী।
নিশ্চয় ঐ অঞ্চলের সমাজ গৌত্র গুলি, নরাধাম পৈশাচিক পাপি, আল্লাহর নবী রাসুলের হত্যাকরী।
অতীত ইতিহাস ফিরে দেখো বাঙালি, হিন্দু, মুসলিম ভাই তোমারি, ভাষা মাতৃক দেশ আমাদেরী।
ধর্মের পশুত্ব করিয়া কতল, মর্মের মনুষ্য বুঝে নাও নিজের সরল, যাবে চেনা কে সঠিক কে গরল।
সে রুপ যেদিন হবে উদয়, কেচ্ছা সে দিন নেবে বিদায়, আপনার প্রিয় আপন যে জন হবে সদয়।
অবশ্যই প্রানীকূল জাহান্নামে বাস করে, মানব কূলে এসে তা যারা খায়, জাহান্নামের দিকে দৌড়ায়।
মানুষে এসে অমানুষের অপকর্ম, অভ্যাসে মেতেছে মিথ্যুক মাতেলা গপ্প, কাল আঁখেরি সময় অপ্প।
ক্ষনিকের জীবনে আসিয়া বাড়াবড়ি করিলে, উঁচুনিচুর প্রাচীর টানলে, তোমাদের জীবন নিচুর দলে।
নিন্দুক পাপী বাঁধা পড়বে, মানব খোলস কাড়িয়া নেবে, বরাতের খোলস, যাহা বইতে কষ্টকর হবে।
নিশ্চয় হরতা আছে তাই জন্ম মৃত্যু চলতাছে, আল্লাহ আছে পৃথিবী মহাবিশ্ব নিজ কক্ষপথে ঘুরতাছে।
আমি হইয়াছি মহাবিদ্রোহী, আমি দুরচারী জাতি ধর্মের বিনাশকারী, হাছন, লালনের শ্রেয় উত্তরসূরী।
আমি নাস্তীকতার ভয়ংকর মহামারি, কাফের মুসরিকের স্বপ্ন ভঙ্গকারি, আমি আস্তিক অনন্ততারী।
মন্ত্র পড়ে গিললে বিষ ক্রিয়া বদলাই না, দুহায় পেড়ে জীব কেটে খাস, তার স্বভাব তো ছাড়ে না।
ওরা স্রষ্টার সৃষ্টি জীবন্ত প্রাণীকূল, মানব তুমি প্রাণীকূলের সেরা, ওরা নিশ্চয় তোমাদের খাবার না।
মহা ক্ষমতার সে মহা পরাক্রমক, কেন তাহার রাগ কুড়াইবা, সৃষ্টির প্রেমে স্রষ্টার প্রাপ্তা মারহাবা।
সত্ত্বা চক্রের শাণিত ফুলসিরাতে নিমিষেই ঝরে পড়িবে জীব-যন্ত্রনাগারে, সীমাহীন জগৎ আহারে।
ডোবে উঠে বারো মাস, রাতের গভীরে স্বর্ণালী চাঁদ, অনন্তের অবনির পরে, যাহার জীবনে সেই চরে।
কে মরিবে কে বা বাঁচিবে এই অসীমতার শেষ নাইরে, অচিন পাখি খাঁচার মাঝে, তাহারে চিনলে নারে।
দেহীফারুক যিনি শোনেন, আছেরে হরতা আছেরে, সাবলীল ভাগ্যের জনমে, কেন তাহা ভাবিলে নারে।
আমার পরাণ পাখিরে, রাত যাই দিন আসে ভাবিরে, কি লিখি কি লিখিরে, লিখায় কে আমারে ?
জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব ২১
6 thoughts on “জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব ২১”
Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.
Very nice….
Thanks a lot
আপনি পৃথিবী বাসীর জন্য নতুন এক বার্তাবাহক।আপনি পবিত্র বার্তা নিয়ে বাংলাতে জন্মেছেন।আপনার লেখাই একদিন বাঙালি জাতিকে স্বরুপে ফিরিয়ে আনবে বলে আমি বিশ্বাস করি।আপনার জীবণ ও জগৎ পড়ে আমি বিস্মিত!আপনার লেখাই প্রমাণ করে এও যে,হিন্দু মুসলিম,বৌদ্ধ,খ্রীষ্টান আমাদেরী মতাভেদ।অথছো যার কোন মুল্যই পরম করুণাময় আল্লাহ্ তালার কাছে নেই,আমরা যদি এক আল্লাহর সৃষ্টি হয় তাহলে এত জাতি ভেদাভেদ ভাগাভাগি কীভাবে?নিশ্চয় এ কোন শয়তানের রাজত্ব কায়েমের জন্য নিয়ম প্রথা চালু হয়েছে। আপনার লেখায় প্রমাণ করে প্রভু অন্তরযামী,এখানে নাই কোনো জাত নাই কোন ভাষা,স্বরুপে, সভাষায়,সৎ কর্মই মানুষকে স্বর্গ দিবে। জাগো বাঙালি জাগো নিজের ভাষাকে ভালোবেশে ভীনভাষীকে ছাড়ো।আমি স্যালুট জানায় আপনাকে, আপনি চির অমর আপনি খাঁটি বাঙালি।
ভালবাসা অবিরাম বেটা।
অসাধারণ লেখনি।
ধন্যবাদ