কতদুর পথ যেতে হবে বলো,আর কত এ প্রবঞ্চনা,তোমার মন্ত্র পড়িয়া, করে ভূগোল পুজা!
ছিঃ লজ্জা বলব কার,বুড়ো দামড়ার সে কোন হাল,সত্যের সাধ না পাইয়া,গেলো গোলে বইয়া।
জীবন ও জগতে মানুষের ভুবনে,কেনই বা খাম-খেয়ালি, এমন সর্বনাশা খেলা ,কখন ডুববে কার বেলা।
কাহার লাভ কাহার বা হলে ক্ষতি,যাহার ভুলে তাহার ভুগান্তি,আপন জীবনে পাইলে অশান্তি।
দেহ ছেড়ে মন যাইবে পাখি,দেখো বেঈমানের একি বেঈনসাফী,ষোলআনা ডুবেছে রে ফক্করবাজি।
প্রাণী উত্তর প্রাণ যেমন জল,বায়ু,উদ্ভিদ,উদ্ভিদাৎদিত,ফলফলাদি,ফেরেস্তা সজীব,সহজাত প্রাণায়ম।
সুখ বা দুঃখ কোনটাই স্পর্শ করে না,তাদের আগমনে অথবা গমনে ক্লেষ্টতা নাই,সদা শান্ত নির্মল প্রাণ।
অপর জ্বীন জীবনে প্রানিকুল,যাদের রাত্রী ও দিন আসে,দেহে রক্ত ও মগজ থাকে, উৎসবে জন্ম অস্তিত্ব পাই।
নিশ্চয় আদম সর্বশ্রেষ্ঠ জীবনানন্দ প্রাণী হলে,ঈশ্বর তাহার আবির্ভাবে এলে, বোলে ভাব প্রকাশ আপনারে।
এবং বললেন আমি সংখ্যাতীত অজস্র প্রাণীসমূহ,জ্বীনজাতি সৃষ্টি করিয়াছে,তারা অশান্ত হানাহানি কারী।
তাহারা বিভৎস বিশৃঙ্খলা কারী,একে অন্যকে হত্যা করে,ছিড়ে গিলে খাই,আমার অবাধ্য বিরুদ্ধাচারী।
আর আমি আপনাকে,সৃষ্টি কূলের প্রতিপালক,সর্বউত্তম শান্তির অবতার,প্রিয় আমার স্বজাতি করিয়াছি।
তোমাকে তোমার অনুরুপ সঙ্গীনি প্রদান করেছি,মনের ভাব প্রকাশের কথা,ও গুণকীর্তনে সঙ্গীত দিয়াছি।
দান কারেছি নির্মল রোগ মুক্ত বাগিচা,ফেরেস্তা হতে আনয়ন করেছি উত্তম খাবার,তোমাদের প্রাণতুষ্টিতে।
তোমরা সেখানে বাস করো,সুখে শান্তিতে সুবিধামত আহার করো,পড়িও না অনাচারীজাতির প্ররোচনায়।
তাহারা তোমার ও তোমার সঙ্গীনির,ধ্বংসাত্নাক কামনাকারী,তোমাদের প্রকাশ্য অপ্রকাশ্য,স্ববিরোধী শত্রু।
আমি তোমাকে সুন্দর করেছি,সত্যের ক্ষমতায় স্বর্গীয় তুমি,এ সৃষ্টি তোমার আমার,তুমি আমি চিরন্তর।
অবাধ্য জ্বীন-জাতিকে,জন্ম মৃত্যুর অঙ্গার গোহব্বরে,করেছি নিক্ষেপ,তাহাদের বরাদ্দে রক্তাক্ত নিকৃষ্ঠ খাদ্য।
উৎকৃষ্ট মার্জিত খাবার আপনাদের জন্য,আমার প্রতি সন্তষ্ট থাকুন,আমি আপনাদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকিবো।
সাবধান,যাইও না জন্মাবধীর তলে,শুভ জ্ঞানদয় উদয় না হলে,সময়ে সবুুরে সৌভ্যাগের মেওয়া ফলে।
নিশ্চয় সেখানে জন্ম সুখের উল্লাসে,মৃত্যুতে ফাঁক পাবে,গোহব্বরের জ্বীনেরা,তোমাদের মর্ত্যে নামাবে।
এও জেনে রাখো আমি তোমার পিতা,তুমি আমার সন্তান,এ বন্ধন চির অম্লান,কেউ নাই আমার সমান।
আমি আপনার অতি নিকটতম ,মনের মানুষ এব্ং আপনি আমার, স্বরুপ প্রকাশের একমাত্র মাধ্যম,হে আদম।
ধর্ম মর্মের আপন কর্ম,জ্বীন জাহেলরা করে অপধর্ম,দলে জাতে সেতো তুলকালাম,জানোয়ারের অপকর্ম।
কেমন বলো লাগাম ধরে,পৃথিবীতে প্রকৃতিতে দূর গগনের সূর্য থেকে,ঘূর্ণিবায়ু চঞ্চলাচল কেমনে ঘোরে।
সাগর হতে জল সেচীয়া,মেঘের পাহাড় দেই উড়াইয়া,মেঘ হতে জল ঝরিলে,বৃষ্টিবাদল বলে তাহারে।
হাজার রঙের চিত্র এঁকে,মেঘ কোথাতে যাই যে চলে,কিসের এত বড়াই করো,তুমি কোথাই বলতে পারো ?
সাধের জবান পবনধ্বনি,আমার ভাষায় প্রাণের বুলি,অপর ভাষাই হতে পারে গালি,যার ভাষা ভাব তাহারি।
জীবন ও জগৎ ভেবেছো কি আজব,হরতাহ আছেন তাই পেয়েছো জগৎ,জীবনে যাপনে পাই যার যেমন।
অন্যের ভাষায় বে-জন্মা বেওয়ারিশ,আপন ভাষায় অন্তরযামীর আশীষ,ভূগোল পূজারি পাইছে ভূতের কূর্ণিশ।
জাত জালিয়াত নিপাত যাক,নিভে যাক সমস্ত স্থপতি পূজার চক্রান্ত,মাধুর্য্য পূজন আদম ধর্মের হোক জন্ম।
আমি জাত নই বি-জাত নই,পীর নই পায়গুম্বার নই, শুরু নই আবার শেষ নই,আদম পূজারি দেহীফারুক।
যাহার বাতের ব্যাথা তার গাঁয়,মিছে মোহে জাতের ভাই,মর্মের কথা মর্মে পাই,মোর ভাষায় মোর গান গায়।
মহাবিশ্বের মহাবার্তাবাহক আপনাকে আমার পক্ষ থেকে রইলো শুভেচ্ছা ও ভালবাসা।আপনি আপনার জীবণ ও জগৎ এ এই পর্বে এমনও কিছু কথা বলেছেন, যা সত্যিই অসাধারণ!আপনার লেখাই এটাও প্রমাণ করে যে,ঈশ্বরের সৃষ্টি পৃথিবী,আর আমরা, জাতে-মতে,দলে বোলে,সেই প্রভুর সৃষ্টি ভূগোলেরী পূজারী!এ এক বড় লজ্জাদায়ক মানবকূলের মহাপ্রতিপালককে ভূলে,তারই সৃষ্টি শয়তানের অনুসারী।প্রভুকে ভুলে আমরা দলে মতে নত হয় ইট,কাঠ,পাথরের কাছে।অথছো ভাবিনাই কখনো প্রভূ বৈমুখ হলে,নরক আমাদের ঝাক বেধে নেবে টেনে!তাই ভাবি, হে মানবজাতি, নিজ জ্ঞানে নিজ ভাষায় খুজে নাও তোমার আপনকে,তাহলে মিলবে অমুল্য রতন, মন থেকে চলে যাবে,ভীনভাষী রাজত্ব কায়েমের ভাষণ।
সুস্বাগতম শ্রেয় ধন্যবাদ সাথে থেকো হে প্রিয়।
মহাবিশ্বের মহাবার্তাবাহক আপনাকে আমার পক্ষ থেকে রইলো শুভেচ্ছা ও ভালবাসা
ধন্যবাদ সাথে থেকো হে প্রিয়
অবাক হয়ে যায় লেখাগুলো পড়ে।
ধন্যবাদ রাজিব
চমৎকার লেখনী
ধন্যবাদ সুপ্রিয়
Nice to know the knowledge… But who try to follow that …
We say so many things,,,
but nevern do the same…!!!
Thank you