এই পৃথিবী গ্রহে ছাড়া,প্রাণিকূল সভ্যতা পাইবে না যখন,ফিরে এসো নিজ দেহ ভান্ডে,সেই মানেবেরি ভূবণে।
সূর্য,গ্রহ,উপগ্রহ,গ্যালাস্কী,মহা হতে মহা বিশ্বভান্ড,সীমাহারা কক্ষপথে ছুটন্ত,এক মাত্র আর্থ প্রাণী সম্ভারে জীবন্ত।
ঘুরে আসি অজস্র মহা আলোকবর্ষ পূর্বে,যখন মহান সত্ত্বা মহা প্রজ্ঞাময় হর্তাহ,প্রাণী কূল সৃষ্টির ইচ্ছা করলেন।
মহা যৌগিক মহা বিশ্ব ব্রম্মান্ডে,এক মাত্র পৃথিবী গ্রহে নির্বাচিত করলেন,তখনো আসেনি রাতের গভীরে চন্দ্র।
নিশ্চয় তোমার প্রভূ জ্ঞানবান মহানসত্ত্বা,ঘূর্ণায়ণ পৃথিবী গ্রহটি কে,মহা ঘূর্ণায়ণে বাড়তি অংশ ভেঙ্গে ফেললেন।
নক্ষত্রের মহা অঙ্গারে,করিনু অগ্নিদোলক বর্ষণ,মহা বিস্ফোরণের অগ্নিদোলক দাহ্যে,সংঘর্ষে গ্রহপৃষ্টের হলো খন্ডন।
জ্বলন্ত অঙ্গারদাহে খন্ডিত পৃথিবী অংশ,ঘূর্ণায়ণে সিমাহীন মহাবিশ্ব ভান্ডে,সৌর-কক্ষপথে দৌড়ে, হলে উপগ্রহ।
গ্রহটির এক মাত্র উপগ্রহ চাঁদ,প্রাণীকূলের আর্শিবাদ হলেন,সিমাহীন বর্ষ বিবর্তনে, মৃত গ্রহ হলো সঞ্জীবিত।
মহান স্রষ্টার প্রাণীকূল সৃষ্টির,ডামাডোল বাজলো, নির্বাচিত গ্রহটির, প্রাণ হতে প্রাণিকূল সমাহারে জাগলো।
সৌর নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে,একমাত্র গ্রহের,একমাত্র উপগ্রহে,একমাত্র হর্তাহ মহানের,প্রাণীকূলের বাসস্থান।
তখনো প্রাণীকূলে,মানবের ঘটেনি আর্বিভাব,অসীম ঈশ্বরের গণনাতীত প্রাণ-প্রাণীতে বৈচিত্রময় এই বিশ্ব।
এ প্রাণী কূলের মহাচক্র ক্রমবিবর্তণে,জন্ম ও মৃত্যুর চক্রাপরিবর্তনে,আবিষ্কার করলেন প্রাণী শ্রেষ্ট মানবের।
নিজেকে চিনতে যেওনা চীনে বা দুরে,ফিরে দেখো নিজ দেহভূবনে,সুন্দর মহাপ্রাণ খুজে পেলেন আপনারে।
মরণ উত্তর জয় করিবে মানবে,অবিনাশী চন্দ্রের আলোকে,অবিনাশী সূর্যের খরতাপে,অবিনাশী সে পৃথিবীতে।
এথায় স্বর্গ এথায় নরক, এথায় নশর এথায় হাশর,এথায় সত্ত্বারামের সত্ত্বায়িক মহাচারণ, পালাবার পথ নাই।
ফিরে আসি এবার,আপন জীবনও জগতে,সেই একজোড়া মানব মানবী হতে,মানব স্বর্গ সভ্যতার হলে জন্ম।
হাইরে মানব সমাজ আজ,এ কথা যখন লিখছি,রাষ্ট্রতন্ত্রের মহীষাসূরদের দম্ভের যুদ্ধ যন্ত্রণায়,এই ভূবন জ্বলছি !
হিন্দু,বৌদ্ধ,যবন,খ্রিষ্টান,জাত প্রজাতের কত নাম জয় স্লোগান, মগজ অবক্ষয়ে বেজেহেল বেকুপ হয়ে মরছি।
ফিরে আসি নিজ ধরণী পরে,আসি ফিরে আরো নিকটে,নিজে দেহ জীবনে,নিজ জ্বরের কাপন,কাপেনা অন্যে।
সুন্দর প্রাণীকূলের মহা সমাহারে,এই পৃথিবী প্রাণী শ্রেষ্ট মানাবেরে প্রাণ গায়ে,এই বলা কথা একান্ত আমাদেরে।
আপনাতে আপন নির্বাণ হলে,চৈতন্য জ্ঞান পাবে তাহারে,দল বেধে জাতের ধর্ম, ভূতের পাইয়াছে তাহাদেরে।
ছেড়েদে তুহাদের ভন্ডামি পূজা,থাকবে নারে মানবের মাজা,কাল আঁখেরি হিসাব নিকাশে নগতে পাবে সাঁজা।
দেখতে মানব হইয়াছিস দানব,মহাসত্যের সত্যি বুঝো নাই সত্ত্বাতে,মূর্খের শক্তি ডুবতে হবে নিগুঢ় তলেতে।
অনন্ত প্রাণীকূল ধ্বংস তাতে,এটাই বড় মূর্খতা যে,নিজের ধ্বংস নিজেই করিবে এ পৃথিবী যেমন তেমনি রবে।
অজস্র গণনাতীত মানব বর্ষ হইতে,ভয়রে আধুনিকতা মনুষ্যহীনতা তুঙ্গে, যার যেই চেহারা সেই তার সঙ্গে।
বান্দামনে কৃষ্ণাহ শশী,করুণ স্বরে বাজাই বাঁশি,এক চাঁনেতে হই উজালা,এক সুরুজে মহা প্রাণ-পিয়ালা।
চিরন্তন জীবন্ত জীবনের গায়ে, হইয়াছি হতবাক মানবেরী বেহাল দেখে,মানুষ রুপে অমানুষের ধর্মকান্ডে!
নইতো ওরা মানব নই,মানুষ হলে মনুষ্যত্ব থাকতো,নিজ চেতনায় নিজ নয়নে নিজেরপ্রতি আস্থা রাখতো।
জাতের নেশায় ধর্মের মশাই,ধর্মের বড়াই চলছে লড়াই,আপন মনুষ্য আস্থাহীন ওরা,গিয়েছে পশুত্ব জড়াই।
সময় হলে ঠিক বুঝিবে,ওহে পথিক সে ধন মাপিশ,শাস্ত্র বিদদের গ্রন্থগারে,মানব ছাড়া ঐ মহাজন কহে নারে।
রুপকারের রুপ না চিনে,রুপের বাজারে কেন করো সওদাগারী, দেখোনি যারে তারি নামে করো বেচা বিক্রি।
অসীমের রুপ লীলা নিকেতনে,অনন্ত চেতনার দেহীফারুক আইসা গেছে,সত্য মিথ্যার পার্থক্য হইবার আছে।
জীবন ও জগতে প্রাণী পুঞ্জের মহরতে,প্রাণী উত্তম মানবের প্রেমো কুঞ্জে,হে মহাশয় হর্তাহর আসিবার আছে।
মহা সত্যবাণী ছড়িয়ে যাক আজিকে মহাবিশ্বে
মিলিয়ে নাও জাতিরা দেহী ফারুক সবার শীর্ষে। (কবি বাসন্তী)
ধন্যবাদ সাথে থেকো হে প্রিয়
মহা প্রভু সৃষ্টি করলেন প্রাণীকূল,আর সমস্ত প্রাণীকূলের মধ্যে মানব কে করলেন শ্রেষ্ট প্রাণী,,এবং প্রভুর প্রতিপালক হিসাবে।আপনি জীবন ও জগতে যেভাবে সৃষ্টির শুরু থেকে বলেছেন তা বুঝতে পারাটা অনেকটা আশ্চর্যজনক!মানব শ্রেষ্ঠ জীব এবং মহানের প্রতিপালক এটা অন্যান্য গ্রন্থতেও বলা আছে,আপনিও বলছেন।সব মহামানব একই কথা বলেছে স্ব-স্ব-ভাষায় ব্যাখ্যা করলে তাই প্রমাণ হয়।মহানবী তার পবিত্র কুরআনে বলেছে যে নিজকে চেনে সে আল্লাহকে চিনে,এবং মুমিনের কলবে আল্লাহর বসবাস,সক্রেটিস,হাসন,লালন,ঈসা,মুসা,দাউদ,ভগবান শ্রীকৃষ্ণাহ,বুদ্ধদেব সবার কথাই একি।তাহলে,,, মানুষের সৃষ্টি,মসজিদ,মন্দির,গীর্জা,প্যাগাডা এগুলো কী করে আল্লাহ, ভগবান, ঈশ্বরের ঘর হয়!
আপনার জীবন ও জগত প্রমাণ করে, এগুলো শয়তানের বাচ্চারা তাদের বাপকে বড় করতে গিয়ে আল্লার নামটি ব্যবহার করেছে,,,প্রতিটি মহামানবের মুল থিমকে চাপা দিয়ে,,,শয়তানি প্রথা চালু করে পৃথিবীতে রাজত্ব কায়েমের জন্য চেষ্টা করছে,অথছো তারা যানে না এ পৃথিবীর মালিক সেই আল্লাহ, যে ছিলো,যে আছে এবং অনন্তকাল ধরে মুমিন মানবের মাঝে বসবাস করে যাচ্ছে এই পৃথিবীতেই।আপনার একটি গানে বলেছেন মুমিন ছাড়া মানুষ হবা কোন দলিলে লেখা,,,আসলেই সত্য কথা,,,,মুমিনের ভিতর আল্লাহ বাস করে এ কথা মহানবীর কুরআন বলেছে,,,,তাহলে মুমিনের ভিতর আল্লাহ না খুজে কেনো ইট কাঠ পাথরে খুজি,এ বড় এক চক্রান্ত এবং ভণ্ডামি। জাতি ধর্মের সবি ভুল,,,আপনি মানব প্রভুর সুর।প্রণাম ও ভক্তি জানায় হে মহান প্রভুর বার্তাবাহককে।আর্শিবাদ করবেন যেনো মানবের চরণে একটু জায়গা হয়।
অ-সাধারন লিখনি।
পড়ে হতবাক হয়ে গেলাম।
কিযে লিখব,,,ভেবে বিচলিত।
আপনি খোদার ভালোবাসায় সিক্ত।।।
অসংখ্য ধন্যবাদ সুপ্রিয়।
চমৎকার লেখনি ভাই
অশেষ ধন্যবাদ
Nice
thanks abbu