অনন্ত জগত জন্ম জোয়ারে,মহা জাগতিক যৌগিক যোগফলে,সমাগাণিতিক গৌণিক গুণফলে,মহাচক্রে জীবন চরাচরে।
জাতের সকল প্রভেদ ছেড়ে,বাহির ভুলে আপন অন্তরে বিদ্যায় বেয়াদব মনুষ্যত্ব হীনে,মহাপ্রভুর তরে হিংসা ছুড়ে।
কে বড় কে ছোট এ ভেদ নাহি করো,নিজের লাগি জীবনে আসি,পরের হিংসায় কেনো মরো,দশের যজ্ঞে মেতোনা রঙ্গ।
বড়র হিসাব সময়ে পাবে,মিথ্যুক বাচাল মিশেছে দলে,দশ যেখানে শয়তান সেখানে,এসো মানব নিজ ধীয়ানে।
বিদ্যাতে কুড়াইয়াছো বেদনা,হতে পারে বাহিরের ভাবনা,জগতে কেউ নই আপনা,নিজ লাগি দেহীফারুক সাধনা।
কাহার তরে করছো বিভেদ,সত্যের কোন নাইকো প্রভেদ,সবার তরে সবার তিনি,আদম ভজলে তবেই চিনি।
সভ্যতার নামটি ধরে,ধ্বংসের মুখে ছুটছে মিছে জাতের সবাই দেখো ঘোর বিপথে,অনেক পথের সৃষ্টি মতবাদে।
হরতা হরে সৃষ্টি কারক,ওরে না বুঝিলে মুর্খ বলদ,একটি গাছের ফলটি ধরা,ফুলের ঘ্রাণে আদম হরা।প্রভু হলেন আমার চিরজীবি,সেই জীবনে ডাকছেন তিনি,জীবের তরে এমন যার ডাক, সে ছাড়া আর কে মহিয়ান।
সেই মহাময় হরতা ডাকে,স্মরণে কায়েম দিনে রাতে,তাহার লাগি তোমার এ জীবন,না বুঝিলে বড়ই জলন।
এক সাগরে সকল নদী,জ্ঞানের চোখে দেখো কবি, এক মিশেছে সবার সনে,না বুঝিয়া মুর্খ জঞ্জাল ফাঁদে।
চাঁদের আলো মলিন করে,মেঘ কেমনে আড়াল করে,দয়াল হলেন জ্ঞানের সূত্র,না মানিলে ওরে জনম নষ্ট।
একটি বৃক্ষ কেমন করে,এতো বৃক্ষের জন্ম দিলে,কোন মহানের অরুন্ধুতি,জীবন ও জগতের আহা করলে ঋণী।
মর্ম মহাশয় প্রাণের শুদ্ধি,তোমার আলোয় আমরা দেখি,আস্তিকের বিশ্বাসের স্তুতি,সর্বজীবের সৃষ্টির স্থপতি।
নাই সন্দেহের অবকাশ তোমারী,নিশাচর নাস্তিক গিয়েছে ভুলি,আমার আমার কুমন্ত্রণা ধরি,পাপিষ্ঠ নষ্ট করে আহাজারি।
শোন হে মানুষ ভয় নাই,মানুষ মরণ উত্তর করিবে জয়,জাহান্নামী পশু মানুষ ঘরে বসি,সত্যের হবে হবে জয়।
হবে উদঘাটন চিরন্ত চিরায়ণ, কে আসল কে নকল,চির ভেদ আনয়ণ,ভালো আর মন্দের হবে বিভাজন,দিল আখেরী কী কবো এখন।
যার যেই চেহারা সেই তার মতন,পর আশায় পরাভুত পাপীরা যখন,আমার আমার গোণ্ডগোল, ভেবে দেখো কী তোমার ধন।
অবতারের দাওনি অধিকার,মোহ মরিচিকা করে আমার, মানব অবয়ব ধ্বংস হবে তার,মৃত্যু মহামড়ক মহাযুদ্ধ হাহাকার।
পাখি গেলে মুরদা জড়বস্তু,তা নিয়ে ভণ্ডামি করো জাতের দশ্যুর, পিরামিড মমির কফিন দর্গার,মুনাফিক পথভ্রষ্ট অসুর।
অতীত দেস্তাবেদ পেড়ে,তর্কে নাস্তিক আস্তিকের দেয় গালি,জোটে জকার পাই হাততালি,লৌকিক আলিফ লাইলার ধম্মো।
জাহান্নামের বংশপাল অভিশপ্ত ইবলিশ,সত্য না মানিয়া হয়েছো কূর্নিশ, আগুন পানির হোক তুফান,দেখুক আদম কোন চিজ।
নিশ্চয় আপন অন্তর মুখী তো ঈশ্বর মুখী,বহিরাঙ্গ মুখী তো দুনিয়া মুখী,যার দ্বীন তার,নাই অন্যের অধিকার।
জীবন ও জগত অনন্ত অসীমতার,আবর্তনে বসন্ত ফিরে আসে ফুলবাহার,এই জগত তোমার আমার,ঈর্ষুক নরক তোমার।
আহা আনন্দে প্রাণো দোলে,হরতা আছেন মনেো ভোলে,আস্তিক আমি সর্বস্ব হরে,নাস্তিক হও সাবধান পৃথিবী ঘোরে।
আসিয়াছো মানব মহা কারবারে, পিতা ল্যাংটার জন্ম মৃত্যুর সফরে,না হইলে পিতা ল্যাংটা,মাতা হইয়াছে সে কেমনে।
মহাচক্র প্রক্রিয়ায় এই জীবনে,পালাবার পথ নাই নাহিরে,বুঝে দেখো প্রবাহন্য ত্রিভূবণে,পরাক্রম পরায়ম এক মহানে।
যে আরাধনা মিরাজ বিহীন,তাহাই তোমার দুঃখ দেবে,নিজে যেমন অপর কেউ তেমন,ভেদ বিচারে মিছা সময় যাবে।
পাপী না মানিবে সত্যবাণী,নসীব তোমার ভয়া ব্যর্থ জানি,বদ-নসিবের ধাধাই পড়ে,জন্মে যেমন চলছে ছুঁটে।
হরতার পয়গাম না মানিলে,প্রতিনিধি বিধান না বুঝিলে,অজস্র লক্ষ যৌনতার যোজনে,বিচার পানে থাকবে চেয়ে।
পিতা পুত্র ভাই ভগ্নী জননী,ওহে জীবন সবই চেনাচেনি,ঈমান মহান প্রভু ছাড়া,আপন আপনার কেউ না রবে।
ওরা না জানিলে সঠিক তথ্য,দিক ভ্রান্ত দৌড়ায় যত্রতত্র,কষ্ট আমায় পাহিয়াছে কেষ্ট,করিওনা আপন জীবন নষ্ট।
মানব কেনো মৃত্যুর ভয়ে,ঐ টাকে মন উৎরাতেই হবে,সঠিক প্রেমে হও আগোয়ান,আদম প্রেমে হও মহিয়ান।