জীবন ও জগৎ – গীতিকবি দেহীফারুক – পর্ব ০১


হে প্রভাময়, এ বিড়ম্বনা আর কতকাল,বলতে পারো,হে পরম ঈশ্বর মহাসত্য মহান অবতার।
আর কতকাল খুজতে হবে,একটি ভূলের উত্তর,জীবন ও জগতের প্রবান্হে বিরামহীন বিস্তার।
তব দীপ্ত নয়ণ মেলে দেখি,সৃষ্টিকূল আজ অবধি আধারে,যাই দিন যায় চলে আহারে।
নিশ্চয়ই তুমি যাহা বুঝ,সৃষ্টিকূল তাহা বুঝে নাই,তুমি যাহা জানো তাহারা তা জানে না।
মায়াময় কারিশমাতে,বৈচিত্রময় এই লীলা নিকেতন,কেউ বুঝতে পারে,কেও তা পারেনা।
এ সবই আপনার ইচ্ছা,কালে কালে কালান্তর, পলকে এক নিমিষে, দেশ হইতে দেশান্তর।
জন্ম মৃত্যু দেহ দেহান্তর, ভয় আর ভ্রান্তে ভরা তেপান্তর, একি আজব অরাজক অন্ধতর।
মৃত্যু একটি নিয়ম ভেলা,ধর্ম জয়ের মত্ত্ব যারা,না বুঝিলে তত্ত্ব কথা, হয়েছে মর্মহারা।
যত্র ভূলে তত্রে ঘেরা,জাত আর জাতির রঙ্গখেলা,ভূত ভূতুরী যঙ্গে ওরা,পড়েছে অধর্মে ধরা।
যদিও জীবণে সবাই সবার,দেখো তুমি একাই একার, যার জন্ম হয় তার,নিয়তি নিয়তো অধিকার।
কাহার তরে কিনছো খুশি,ও নই তোমার সুখের সুখী,অবস্বাদে দুঃখের দুখী,ভাঙ্গবে ভবের জুটি।
তপের গুণে রিদয় চেতন,যার গঠন সেই তার মতন,সবার তরে সবাই একা,নিজকে চিনে তবেই জেতা।
আপনার ধর্ম নিজ শুভ বুদ্ধি, নিজ থেকে নই দুরে আত্ত্বার শুদ্ধি,নির্বাণ নিয়করী নিরঞ্জন প্রশান্তি।
কাহার তরে ছুটছো তুমি,সময় ফুরাতে নাইকো দেরী,যাহা অন্যের নই তোমারী, নিয়ত নৃত্য নিহারী।
ঐ যে সুরুজ যাচ্ছে ডুবে,ফিরবে কি তার শর্ত আছে,বোকায় বলে সব বুঝেছি, মানিবার আছে বা কি?
যেমন কথা তেমন ব্যথা,তকদিরেতে ছিলো লেখা,মনুষ্যত্ব বোধ হারাইয়া,কামড়া কামড়ী নির্বোধেরা।
পিতা আদম মাতা হাওয়া,একই হরতার দান আমরা,নীড় হারা হে অভাগারা, সীমাহীন রে ছন্নছাড়া ।
মোহ মায়া অন্ধে নিশাত্বক তোমরা,অনন্তেরী জীবন ধারা,মানব হলেন প্রাণীকূলের সেরা।
ভাববে তুমি পালিয়ে যাবে,ঘুরতে ঘুরতে দেখা হবে,স্বর্গ নরক দুই রবে,আছেন আল্লাহ বিচার পাবে।
কার ঠকাতে কারে ঠকাবে,নিজেই বানর দৌড়াই গাছে,এ জীবন জনম ধারাপাতে,আছে রে মালিক আছে।
অনন্ত চেতনার অদৃশ্য চৈতন্য,চয়নিকা তানে বিশ্বাস হইলে পাই,আপন মনো গায়,না হলে নাই।
রাত আর দিন,আমার তোমার প্রতিদিন,কয়দিনের এই দেহধারী,কেনোই বা এতো বাহাদুরী।
পাইয়া মানবের জনম,রাখো নাই মরমের খবর,জাত ধর্মের মহামাড়ি,কোন বিধুরতার আহাজারি।
আমি কি দেখিতে কি দেখিলাম,দর্শন মাত্রই সঙ্গে পেলাম,কি জানি দেহীফারুক, কী লিখতে এলাম ।

কি লিখিলাম কেনই বা লিখছি,কে আমি কেনো এ কথা বলছি,তুমি আমি কাছাকাছি,অনন্ত চেতনারী।
আণিতো ভূবণে প্রণিত বিধান, মানব জীবনে তুমিই প্রধান,আনলেন মানব তোমার, জ্ঞানের এলহান।
সেইরে মানব আজি ষোলআনা বেইমান, আপনারে করিয়াছে জ্বীনের আবাসন,পশুত্বে বেহুশ পালোয়ান।
এই অমানব পঙ্গপাল, হয়ে যাবে ধ্বংস, সময়ে সুযোগে খুজে নেরে বংশ,শেষ হয়েও হবেনা শেষ,জীবনের চক্র।
ঈশ্বর-আল্লাহ-ভগবান-হরতাহ আমার সেই মহান,সত্য মিথ্যার প্রার্থক্য করণ, করো সৃষ্টির শ্রেয়ায়ন।

চির চিরন্তন মহান,না হই তাহার শরীকদার,ভালবেসে হতে পারি মোরা ভাগীদার,সেই মানবের আকার।
মানব জনমে এসে ধান্দা,নিশ্চিত দোযখে পড়িবে বান্ধা,হরতাহ আছেন তাই হয়েছে, জীবন ও জগত আবিষ্কার।

9 thoughts on “জীবন ও জগৎ – গীতিকবি দেহীফারুক – পর্ব ০১

  1. “জন্ম যাহার আদম হাওয়ার কে বলেছে বিনাশ তাহার? ভাববে তুমি পালিয়ে যাবে? ঘুরতে ঘুরতে দেখা হবে। সবার তরে সবার সাথে, প্রাণ আকার রহে মিশে।”
    খুব ভালো লাগলো এ‌ কথা গুলো

Comments are closed.