অনুভূতি দেখার অনুধাবন, সদা সর্বদা বিচারায়ন, বয়ে জীবন যাপন। জলের মাঝে প্রাণের সমারোহ, কেমনে তা ভাবলে সূধী! চরে প্রাণের চরাচর। জগৎ জীবের বসত ভিটে কেউবা ডুবে ভাসে জলতরঙ্গে, কেউ হাটে ডাঙ্গাতে। কেউবা গাছে করে বাস, কেউবা পাহাড়ে, কেউবা হিমাঙ্কো বরফে, কেউ তপ্ত মরুতে। কারও প্রাণের প্রকাশ গহীন বনে, কেউবা ভূগর্ভের গর্ভস্তরে, কেউবা সবুজ জমিনে। কত প্রজাত জীবের জীবন নাহি শেষ তার, জীবও শ্রেষ্ট মানব মহৎ আর্বিভাব। এতভাগ্য বলে এ মানব বসত, জিতলে হতে পারো অনন্তের শ্রেয় সুন্দর মানব। হারলে পেতে পারো নগন্য নিকৃষ্ট জীবন, দেখলাম জীবন্ত জীব, জীবের ক্ষুধা নিবারণ। অনু হতে পরমাণু, পরমাণু হতে অনু, বিন্দু থেকে সিন্দু, সিন্দু থেকে বিন্দু, ক্রিয়া ফলে। জীবনের এ খেলায় হও বিজয়ী, হে উদাসী একান্ত নিজেরই, মানব পিতার ভালবাসি। মহামান্য মাননীয় প্রেমময় পূজনীয়, জ্ঞান দীপ্ত সম্ভারে, হইলেন সৃষ্টি নিখীলের বিধি। মানব মহান চির সত্যের তিনি, মহা সুন্দর সুন্দরের লীলাভুমি, সুন্দর মানব হে তুমি। শোনো রে মানব জীবন সুন্দর আবাস, অসুন্দরে পাইলে হইবে সুন্দরের বিনাশ। পরের কথা শোনা কথা, না আছে সম্বল, জাত জাতি পরের কথায় রোজ করে হট্টগোল। বেশতো ওরা জেনে বুঝে পিতা তোমার শরীক করে, দেখাও পিতা দেখাও কুদরত। তোমার বাসস্থানে যেন না আসিতে পারে, অশনী পেত ছায়া না কোনো পাপি চোর। যার যার ধর্মছলে, যাক যথা যাক ফিরে, জেনে যাক মানব তোমার অনন্ত আমানত। সু-শিক্ষা আলোর প্রদীপ জ্বেলে আপন হৃদয় গহন তলে, দেখ না দেখা নিজ নয়নে। অন্ধের দশা অন্ধেই জানে, অন্ধ ছাড়া কে আর বুঝিবে, দেহীফারুক অন্ধে না দেখিবে। আহারে কালে এলো কলিকাল, কুস্তগীর পালোয়ানের একি হাল, জিতেছে মেডেল খান। বড়াই লড়াই লুটছে মান, মানবতা শূন্যের অভিযান, বুলেটপ্রুফ পরে যুদ্ধে যান। মাটি আগুন পানি বায়ু, নাও কেড়ে পাপির আয়ু, যেথা যার ঠিকানা ফিরে পাক। তত্ত্ব কথার সারগর্ভ মত্যে মাতাল করে খর্ব, এজমা কেয়াসে মুফতি বাড়ে তর্ক। মরমের জ্ঞানহীনা মুফাসসির, এ যেনো মরেছে গরু হয়েছে লাশ, শকুনের দল ঘিরে খায় ছিড়ে। সর্বা অঙ্গে ব্যাথা ঔষধ পাইনা কোথা, কারে কিবা বলি ওরে এযে বেলা শেষের গিরে। মহাপাপী বসিয়াছে পূণ্যের চেয়ারে, পূণ্যবান হয়েছে বিতাড়িত, করো নিঃস্ব পাপির হস্ত যত। তোমার স্বর্গবাগিচায় পূণ্যবান পূণ্যার্থী করো একত্রিত, আমরা গাহিবো তোমার প্রসংশা গীত। উন্মোচন করো মিথ্যুকের মুখোশ, ললাটে ঝুলাও লাঞ্চিত মউত, নরকের কীট নরকে পুড়ুক। জীবন ও জগৎ এমনি আসে নাই, মালিক ছাড়া চন্দ্র সূর্য বাত্তি জ্বলে নাই, দেখে বুঝে বলো তাই।
জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব ১৩
4 thoughts on “জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব ১৩”
Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.
দারুন ভালো লাগলো পড়ে।
অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয়।
Ki O-Sadharon sotto kotha…
Boliya choleco soda sorboda ..
Koi jonar vagge gute,,, Adom Baganer sondhane pagol hoye chuta… A j-“Ononto Chetonar” mormo kotha ..
Most Welcome my dear, keep in touch.