না বুঝিবে তর্ককারী, কথা-কথায় কামড়া-কামড়ী । ঝগড়া তোমার হোক সাথী, এই বেলা এলো আখেরী। কামরাঙ্গা, বেল, পেঁপেঁ, ডালিম, আর খাইবা নাকি আহারে। মেঘের সনে বজ্র থাকে, সেই মেঘের বারি শষ্য ফলে। এক মাটিতে হয় ফসল, ভিন্ন বীজে ভিন্ন ধরন ভিন্ন রঙের। মায়ের বুকে শিশুর আহার, কি নিপুন সৃষ্ট গুদাম বাহার। মহৎ প্রভুর মহিম রীতি, যে বুঝেছে সে হইয়াছে সাবধানী। মিথ্যা মুছে সত্য রেখা, খুব নিকটে দেবে দেখা আসমানী। আধাঁর ফুড়ে আলোর প্রভা, আলোয় আলো নয়ন ধোয়া। যে ক্ষমতার বাহার দেখে, সে জন হলেন ঘোর বিপাকে। মরম দেশের পরম খবর, ওরে না জানিলে ভয় তেমনে। আদম প্রভুর অমর কৃত্বি, দেখনা একবার সে ভাবে ডুবি। ভুবণ প্রেমে যে মজেছে, প্রাপ্ত দুঃখ তাহার আষ্টে-পিষ্টে। কালায় বলে শুনতে পারি, ভবের দশা হলো কালে-কলি। শক্তি প্রাচুর্যে প্রাসাদ গাড়ে, দুর্বল পদতলে জামা নাই তার গায়ে। অবাধ্য বদ পালোয়ানে, ডেট ফেলিয়া অবাধে যায় রণে ছুটে। কেউ না দেবে কানার দিশা, ওরে অবোধ চোখ থাকিতে অন্ধ তোরা। সতত তকদির জোরে হইয়া মানব, পতন পথিত রোষে হলে দানব। অজাত দেয় জাতের দুহায়, বিজাত হয়েছে জাতের মেয়ের কূল-জামায়। ধর্ম শালায় বসে জৌলুসের বাজার, ধর্ম চোর খায় ধর্মের কাবাব। অপর দল-জাত তুচ্ছ করে, আপনার দল-জাত বড়াই জোরছে। হয়তো ওরা নই সু-পথে, কেচ্ছা ভাষন শুনছো শোনা শুনানীতে। বেশতো দৌড়ায় করে লাফালাফি, অনুমানে ঐ স্বর্গে যায় ডাকি। নরাধম অধম নরকে যাবি, জীব শ্রেষ্ট অবতার এই মানবে পাবি। মনন মানবতা যাহার গেছে, মিলবে নরক তাহার দিন ফুরাতে। লোভের ফাঁসে আবদ্ধ যাহারা, নরক তাহাদের দেয় পাহারা। স্বর্গ প্রেমের প্রেমিক সে জনা, আদম প্রেমে তব যে ঠিকানা। জীবন তোমার করো দরদীও, জীবন জীবেরে তুমি দরদ নিও। মানব সকল জীবের শ্রেষ্ঠ, হও তুমি খোদার প্রিয় একনিষ্ঠ। ভুল হলে জীবন আধাঁরে নিঃস্ব, প্রাণী কুলে জীবন হবে নরকে ক্লেষ্ট।
জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব১০
One thought on “জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব১০”
Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.
অবাক করার মত কথা।