জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব ১৪

মহাময় হর্তাহর প্রেমের আয়োজন, প্রেমিক পরমেশ্বর মরমের আস্থাভাজন। শুদ্ধ প্রেমে দেহগা অবগাহন, হরিৎ কমল প্রেমের পবন, প্রেমিকের অভয় জীবন। দেখতো এমন, যদি তুমিই প্রাণীপুরে গমন, সে ভাবেই বাঁচা মরা জীবন্ত যাপন। কারণ ছাড়া কয় নাই, অকারনের ঠাই নাই, চক্রা ঘোরে চরে চরার সবিচিত্র। কোরো নাকো পাপ দেবো নাকো বাঁধা অভিশাপ, তোমার গর্তে তুমি লুকাচ্ছো। জগৎ, নিকেতন, জীবন, বিশ্ব, সুশীল ভগবান প্রণয়ে সৃষ্ট, ভূগোল পূজারী দল পাকাচ্ছো। কঠিন আবরণে আকাশ ছাওয়া, ভোবো নাকো পাবে ছাড়া, অবাধ্যতায় দিন কাটাচ্ছো। বাদ্য বীণায় সুরের ছটা, বাদক ছাড়া বাজে কি তাহা? সুপথ ফেলিয়া বিপথে দৌড়াচ্ছো। সত্য সহজ সত্যের জয়, হর্তাহ তোমার সমকক্ষ নাই, আমরা তোমার গুণগ্রাহী পাই। নদীর ধারে নূপুর পায়ে কোন রূপসী যাই, নদীর ধারা মিশলো গিয়ে সাগর মোহনায়। বিশ্ব মানবেরে বিধর্মী বানাইয়া, সেজে ধার্মিক পরহেজগার, অশান্তির শোষকের শান্তির স্লোগান। প্রভু মুহাম্মদকে করে তিরষ্কার, গলা বাজিতে বড়ই আবিষ্কার, গুমরাহীর শাস্তি অহংকার। একই সত্য ফেরে সদায় আউয়ালে আখের সে সদা রয়, জাতের ধর্ম নাই তাহার নয়। না মজিলে প্রেমে বুঝিবে সে কিসে, কোন প্রেমডোরে ঈশ্বর নশ্বর পেলেছে। মিছা মায়ায় জড়িয়ে পরের কথায় দৌড়িয়ে, হয়নি দেখা আপনার মাঝে ছিল যে লুকায়ে। আত্মা ছুটিয়া গেলে দেহটাকে লাশ কবে, পচনে যে খোঁজে কেমনে সে বোঝে। একি অবুলার হয়েছে নির্বুদ্ধিতা, গেছো ভূতের পেয়েছে মরা মাছ খাবার বড্ড নেশা। অনন্ত চেতনা পচনে যাবে না, আত্মা চারন জীবন্ত দেহগা, স্বর্গ বা নরকে পাবে ঠিকানা। এ জগতের জনকজান আদম সত্য জেনে যান, দোষে ভরা জাতের পূজারী সাবধান। অগ্নি জলে লেগেছে তুফান, ঝাকে ঝাকে মৃত্যু পরিস্থান, হলো জীবন পেরেষান। বেদনার বিষ ভরা গভীর নীল সাগর, আকাশে নীল ছায়া ফেলে, কি করুন জবর খবর। সত্য সুরশ্রী স্বর্গমাতা, মায়ে বোঝে সন্তানের কথা, মাগো আমার বাংলা ভাষা । বাতাসে মাটিতে নিনাদ, পাপী-তাপি মানব ধড়ের অধিকার হারাক, জীবন বিধান। আপনার আপন যেজন চেনো না তাহার, ভগবানের বাসস্থানে নাহি হোক তার স্থান। ভাল আর মন্দ নয় সেতো একজন, মন্দের চেহারাতে মন্দ করো জীবন্তন দাফন। হে দুঃখী কেন তুমি কাঁদিলে, সুখের দেশে নাগাল না পাহিলে, স্বর্গ যে বাঁচে। যে দেশেতে বেদনা হারিয়েছে, আনন্দ ধ্যানধামে পদাবলি আসিয়াছে, দেহীফারুক গাঁথিয়াছে। মম তনু মন চৈতন্যে দিশারী, অনন্ত চেতনা সত্যের স্বারকথা, একান্ত তোমারী। প্রজ্ঞাময় পরাক্রমশালী থাকবেনা আর তালি-বালি, মৃত্তিকা বায়ু নিনাদে মহামারি। ধর্মের জঠরে জন্মেছে দাজ্জালী, দর্গায় দানব দয়ালের পটভূমি, নারী যখন রাক্ষসী।

4 thoughts on “জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব ১৪

Leave a Reply