এই হাটেতে বেঁচা আর কেনা,মানব জীবনে করিও না দেনা,সত্ত্বা চক্রাকারে ফেরা,কেউ নই কারো সব অচেনা।
এক ভাষার ভাব প্রকাশ অন্য ভাষার না,এক চাঁদের আলো অন্য গ্রহের না,পর বোলে তোতা বন্দীনী অবোলা,বর্বর স্বার্থের কাফেলা।
ধর্মের নামে বিধর্মী জাহেলেরা,সংস্কৃতির বাংলায় যবন নাসারারা,মিথ্যুকের মিথ্যা যুক্তি ছাড়া,দশ্যু দানব হিংস্র গুয়ারেরা।
জীবন আছে তাই জগৎ দেখা,জগৎ আছে তাই জীবন পাওয়া,স্রষ্টা আছে এই সৃষ্টির ধারা,সুক্ষ সেই বিচার খাবে ধরা।
ওরে বাটপার আরব্য মুনাফিকেরা,ধর্মের মুখোশে নারদ রক্ত পিপাসুরা,কবর হতে লাশ হবে জিন্দা,রুপ কথার ঝুলী মহামিথ্যা।
জীবন্ত দেহে ধর্ম করে বাস,মানব গৃহে পশু ধর্ম করিও বিনাশ,হায়রে জাতি ধর্ম মরিচিকা, রুপকাহিনীর কুহেলিকা।
হরতা আছে তাই মানব পাই,আদম ছাড়া সেজদা বৃথায়,শয়তানে শঠতা বেধেছে দল জাত একতা,হত্যা যজ্ঞের নাশকতা।
মহাবিশ্ব সৌর ব্রমাণ্ডের মাঝে,একমাত্র আর্থ গ্রহে এই মানব সভ্যতা,মানব প্রাণীকূলের সেরা,মানব স্রষ্টার বারি ধারা।
ভেবে দেখো মানব মহাপ্রাণী যখন,তোমার পায়ের তলে নানাবিধ প্রাণী জীবন,যে ইবাদত না হই শোধন,তাহা নিষ্ফল আয়োজন।
হাওয়ার ঘরে ইবাদত খানা,হাওয়ায় চলে হাওয়াই ফেরা,হাওয়ায় পাখী আশা যাওয়া, আপন ঘরে ধর্মের দাওয়া।
আপন ঘরে পশু ধর্ম এলো,জাগো প্রাণ পাখী হইও সজাগ,পশুধর্ম নিরুদ্দেশ করিও বর্জন,মানুষের ধর্ম মানবতা অর্জন।
জাত ধর্ম ভন্ডের কুসংস্কারের ফল,সুর হারা অশুর নিষ্ঠুর এজিদের দল,মিথ্যুক জাতির একতায় বল,যখন যার মৃত্যু গহীন তল।
দেহে ধমনী কোষ রক্তের চলাচল,সেও চক্রের প্রবাহের ফলাফল,শরীরি অশরীরী জন্ম জন্মাতর,এক ঈশ্বর প্রাণীর অধিশ্বর।
কতনা সুভাগ্য ক্রমে মানব জনম,দলে নই জীবনে একাকী পরম,নিজ হতে বাহিরে সব অপধর্ম মিথ্যাবাদীর দিশেহারার করণ।
হানাদার খান্নাস ওরে ফতুয়াবাজ, মানবতার শত্রু মস্তকে তাজ, হুর আর গেলেমান আসমানে চাও,শিশু বলাৎকারের রাজ।
হে আমার মহাপ্রভু মানব অবতার,সত্যের ধারক বাহক মিথ্যার করো প্রতিকার,মনুষ্য শুন্য একি হাহাকার, মানব ঘটে জীন জানুয়ার।
ধর্ম ডাকাত জাহেলের সমস্ত ঘাঁটি, হয়ে যাক ভুলণ্ঠিত পরিপাক হোক মাটি,স্রষ্টার সাইন বোর্ডে থাকবে না কোন ইমারত ঘাটি,এ বাগিচা মানবের জন্য খাঁটি।
ফল জল বৃক্ষ করো সুসজ্জিত, অনাসৃষ্ট সত্তা মৃত্যুতে হোক পতিত,যাক ছুটে দুর বহুদূর নরক কুড়ে,দেখে নাও পৃথিবী নই এতটুকু।
আগুন পানি মাটি বায়ুর অভিযান,এখানে বাঁচেনা একটিও বেঈমান,ফিরিয়ে দাও মানবের বাগান,মানব তোমারী মেহমান।
জীবন ও জগৎ চলছে চলবে,দেহীফারুক বলছে বলবে,নিরাকার নিলেন আদম আকার,আদম সরকার প্রতিষ্ঠা দরকার।
ধর্মের দুনিয়া রঙের বাজার,লাশ পচাইয়া গেঁথেছে মাজার,উড়ে এসে খাজা করলে বিচার,এথা সবে বিধর্মী করলে ইসলাম প্রচার।
ভাবের নৌকা উজান বয়ে যাইরে,আয় কে কে যাবি আয়রে,এই জগতে মোর বন্ধু ছাড়া,আর এই আমার কেউ নাইরে।
জাত বিজাতে ফেতনা গেড়ে,ওরা মর্ম থেকে অনেক দুরে,খোজে কারে শুনাই প্রভু আছে,প্রভু আছে ঈমানে আপন রথে।
সত্য না জানিলে ধর্মতা আপনে,আটকা পড়বে জটিল জীবনে,মহৎ প্রাণ জনমে এসে পাপ,নরক নিম্নের প্রাণ বিবর্তনে।
সত্য কে বোঝা সে যে বড়ই কঠিন,মিথ্যার স্বার্থ যেখানে বেজাই অধিক,কেউ আলো তে কেউবা আধারে,কি বা করার যার যেই নসিব।
মানব রুপে জন্ম নিলেও,জ্ঞানের স্বর্গ সবার স্বয় না, চোখে অবাক করা চন্দ্রের আলো,আবার কারো দৃষ্টি গোচর হয়না।
জন্ম সবার দুঃখ জীবন টীকা,সুখের দেশের লাগাল পাইনা,ধর্ম যোগ বিয়োগে আপন ধড়ে, ধ্যান যোগে হাওয়ার সাধনা।
কবে হবে সজল বরষা,সাধক মনের মিটবে পিয়াসা,লাঞ্চিত ধ্বংস ধর্ম চোরের বাসা,অনন্ত সুখে শুরু পথ চলা।
ব্রহ্মা,ঈশ্বর,ভগবান মম হরতা,জগত প্রাণী জীবন উৎভাবক স্রষ্টা, মহত্ব মানব
হোক প্রাপ্তা,প্রাণীকুলের প্রতিপালক সাচ্ছা।
এই বৈচিত্র্যময় জীবন ও জগতে,শেষ হয়ে হইবার শেষ নাহিরে,অনাদি অনন্ত জীবন তীরে,জীবনের গান গাহিরে।
সময়ের উত্তর সময়ে পায়িবে,আজ হইতে কাল কঠিনতর হবে,ধর্মের কল বাতাসে নড়ে,ধর্মচোরের যুদ্ধে ধর্মচোর মরিবে।
নক্ষত্র তারা জ্বলছে জলবে,চাঁদের আলোয় এই প্রাণ ভরবে,আছি আমরা তিনি তাহারা থাকবে,একদিন আমারে চিনবে।
জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব ৬
8 thoughts on “জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব ৬”
Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.
অবাক করা কথা পড়ে বিস্মিত হয়েছি।
অগণিত ধন্যবাদ
দারুন
শুভেচ্ছা রইল।
Awesome 👍…
Really very nice 👍…
thanks for comment
সাধু সাধু
ধন্যবাদ সুপ্রিয়