জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব০৭

মৃত্যু একটি নিয়মের প্রতাবর্তন,শরীরী অশরীর পরিবর্তন,অনন্ত প্রাণফল জীবন ও জগৎ,আছে সৃষ্টির পরিচালক।

কর্মী বিনা হইনা কর্ম সম্পাদন,কারণ ছাড়া নই কিছু অকারণ,মিথ্যা জাহেল ভাবনা তোমার,খোদা দেখাও আসমানের উপর।

জ্ঞানবান প্রাণ আছে তাই প্রাণীর জাগরণ,অশরীর শরীরী সময়ের সমীকরণ,ঘুমে আমি দেখিলাম স্বপন,ঐ রুপ যেমন আমিও তেমন।

সূর্যের অনলে পুড়ে হলে চন্দ্র, অঙ্গারচন্দ্র আলো দিলে বিশ্ব প্রাণবন্ত,নিরাশ হইওনারে মানব,আছেন হরতা মহাময় চমৎকার।

আগুন পানি বায়ু মাটি সকলী ফুকার,প্রাণহীন পৃথিবী হলো প্রাণসার,সীমাহারা অশেষ ঐ নীলিমার, জনক আছে তাই জীবন জীবিকার।

স্রষ্টা আছেন তাই সৃষ্টির আবিষ্কার, আমি তুমি সে তাহারা সকলী সবার,মিছে অহং মোহ আমার-আমার,অবশ্যই পাইবে তিরস্কার।

শোন মানব মৃত্যুতে নিঃশেষ না হবার,দৃশ্য থেকে অদৃশ্য গমন হলে নিরাকার,ভগবান আছে তাই বিশ্ব প্রাণসার,যার যেই জীবন শুধুই তাহার।

জীবন পাপী হলে চক্রে জন্মে নরক,দেহে যার মোহ ধর্ম বয়ে চলে অবিরাম,চলে দলে ধর্ম সব অপকর্ম,আপনাতে একান্ত হও নিহার।

করে যাও পূণ্য অনাদী অনন্ত,দুই হাতে মিলে যাবে পুরষ্কার, ধর্মের ধর্মচোর হবে বহিষ্কার, যার সেই ধর্ম রবে সেইতো তাহার।

যে খাদ্য সুস্বাস্থ্য ও সুরুচিকর তাহা হালাল,অস্বাস্থ্য ও অরুচিকর হারাম,জলে ডুবে হোক সলিল,জাহেল জাতির জয় জয় জকার।

ধর্ম ধর্মের অনাচার,রাজতন্ত্রের কদাকার,ধূলিসাৎ করো জালেমের হস্ত, কাফের নাস্তিক নাসারার বক্ষ,প্রতিষ্ঠা হোক আদম সত্য।

সত্যতে সদা সুন্দর সাবলীল,আত্ম আপন চেতনায় সর্বদা অমলীন, অবশ্যই মৃত্যুতে শেষ না হবার,আছেন হরতা সত্য এ ধরায়।

নিজের মাঝে বিবেক বিধান, জাগিয়া উঠুক বারংবার,কুরান-গীতা-বেদ-বাঈবেল, ও নই তোমার জীবন বিধান,আপনাতে করো সন্ধান।

জন্মে জন্মিলে মরিতে হই,মরিলে কিন্তু শেষ তাহা নাই,মানুষ মনুষ্যত্ব করিও না ক্ষয়,জাহান্নামে পায়িবে জন্ম জীবন ভয়।

নিশ্চয়ই মৃত্যুকে নিয়ে ধর্ম আখ্যা,প্রবাহময় জীবন চক্রে অপ-ব্যাখ্যা,উঠেছে ধকল পাবে না রক্ষা,একান্ত চেতনার সুন্দর সমীক্ষা ।

কে দেবে মহাধন পর চেয়ে প্রতিক্ষা, জীবন ও জগতে নিজেরী পরিক্ষা, আত্ম ঈমানে বলীয়ান দীক্ষা, কোথা চাও হাত পেতে ভিক্ষা।

বিদ্বেষ জাতিকুলের জানাই ধিক্কার,আদম ছেড়ে ভুগোলে গড়ে মক্কা,ধর্মচোর হাকাইছে ধক্কা,মর্মের বাহিরে ওরা সকলী ফক্কা।

বিদ্যা-পূথিতে বান্ধা বিবেকেতে আন্ধা,দিশাহারী পাপীর ভূতে ধরা কান্না,দিশেহারা জীবনের এ কেমন অবস্থা?মইলে পাবে স্বর্গ হা-হা আচ্ছা!

ভয়াবহ নির্বুদ্বিতায় মহাপ্রাণ সভ্যতা,মহাকাশে বিশ্বাসী ধর্ম কাফের মুনাফিকেরা,পড়ে আল্লাহ স্বাদ পাওনা,বাহিরে ধর্মস্তম্ভ বড়ই ভাওতা।

কবর কফিন থেকে মুরদা হবে জিন্দা,মগজ ধুলায়ে দেখো একি বান্দা,মিথ্যুকের মিথ্যাতে যুক্তি লাগেনা,সত্যের সন্ধান জানে না।

জীবন জন্ম চক্রে স্বয়ংক্রিয় পরিক্রমা,মূলের ছেদন সর্বহারা,যার স্বভাবে সেইতো ধরা,শুদ্ধি সদানন্দ সত্য সেবা হারা।

দেখো ধর্ম কুসংস্কার শয়তানের কারা,রাজতন্ত্রের রাজাকার ধর্মপাপী ওরা,ইসলাম ইহূদী বিমাতা ভাই,আজান দিয়ে যুদ্ধে যাই।

আলিফ লায়লা রুপকথার ঝাপি, জাহেল মিথ্যুক স্ট্যু্পিড জাতি,রাক্ষুসের তরবারী রক্ত চাই,বর্বর নাসারার মানবতা নাই।

মাথা নষ্ট নারদ নেড়ে জাতি,স্রষ্টা কি দানব কেনো পশু বলী?কাটিয়া কাল্লা পেতে চাও আল্লাহ! কানাকানিতে মিথ্যাচারী।

যা খেয়েছে মাটি কেমনে পাবে আঁটি,জীবন ও জগৎ চক্রে চক্রয়ী,ভণ্ডের জাত ছাড়বানা পরহেজকারী,যাই দিন আশে আখেরী।

কি করিবো ভেবে না পাই,মিথ্যুক দেখায় দুর আসমানী গায়,জয় চিরসত্য মানব শাঁই,ধর্ম কুসংস্কারছন্ন বিচার চাই।

জাত ধর্ম মম অন্ধতা বিদ্যার বড়াই,শুনেছি গাংচিল আকাশে দৌড়াই,বাঁচাল বক্তব্য আওড়ায়,মগজ প্রসূত রুপকথায়।

শুনে যাও মানব হবে মৃত্যু,যবে গায় মাংস হাড় পুড়িবে নতুবা পঁচিবে, অমৃত আত্ম রয়ে যাবে,মৃত্যুতে শেষ নাহি পাবে।

কূপ্রথা কূধর্মে কুছায়ার উৎসবে,কতনা জাত ধর্ম শয়তানের প্রভাবে,অধর্ম অনৈতিকার ভূতেরী স্বভাবে,যাবে মনুষ্যহীন নরকে।

দল সংবদ্ধতা স্বার্থনেশী সবে, ঈশ্বরের একগ্রতা বিলিনতা তবে,মহামারী প্রলয় এসে যাক ভবে,অসুর দানব ধ্বংস সে কবে?

ভূতাত্ত্বীক ভৌগলিক চমকী চারণে,পাপী ডুবে যাক তলাহীন যোজনে,জীবন রক্তে কেমনে পালাবে,প্রভু প্রঞ্জাময় সে যে মানবে।

জগৎ অনাদী জীবনান্ত চিত্রায়নে,জীবন অসীমের জন্মাতর ভ্রয়ণে,আছে আল্লাহ কেউ না হারাবে,জঘণ্য জাহান্নাম জড়ালে জীবনে।

অনন্ত চেতনার ছন্দ কথা ভরায়ে,দেহীফারুক তোমায় কে দিলো জাগায়ে,কি লিখে যাও কেউ কি জানে,একদিন ছিলে জাতের খোয়াড়ে।

5 thoughts on “জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব০৭

Leave a Reply