দিব্য চোখের আলোয় দেখা,চোখ থাকিলে দেখতে পাবে,না থাকিলে অন্ধ তুমি,অবশ্যই দুঃখ নেবে।
বিন্দু ফেলে সিন্ধু জমে,সিন্ধু থেকে বিন্দু আনে,ভয় কিরে তোর সম্মুখ পানে,এই যাপিত জীবনে।
দেখিলাম যাহার নয়ণে,আসা যাওয়া স্বপনে, মইলে মানুষ হবে বাসি,কাহার কথা কেইবা শোনে।
হেলায় যাহার করবে হেলা,তাহার তরে কাদন সেরা,এই না জনম হলে বিফল, জড়ায়ে নেবে কষ্টের কারা।
প্রদীপ্ত প্রবাহময় প্রাণান্ত সত্ত্বা,মরিয়া মরিবে নাতো সাচ্ছা,আছেন প্রভু প্রঞ্জাময় ,সারা জাহান আচ্ছা।
দিনের পরে রাত্রি আসে,রাতের মাঝে চাঁদ উঠে,কাহার লাগি অবনীপুরে, ভাবলে না তা একটি বারে।
এক আকাশের আলোর তলে,একই বায়ুর প্রাণ শ্বাসে,বিধাতারী বিনিয়োগ বপণে,দেখা তারে আপন ঈমানে।
আপনার নামে ধর্ম শালায় গেড়ে,মর্মের সত্য যারা ছিটিয়েছে বাহিরে,হা-হা শয়তানের পঙ্গপালে,চেনো না তাহারে।
নানাবিধ সাইনবোর্ডে জাতের নিশানা,মহড়ায় বয়ে চলে তর্ক কড়চা,নিজকে সঠিক মুখ বাঁকিয়ে,বলে ওরা ঘোর বিপথে।
সবার যখন এমনি কথা,ভাবতে কী পারো শুদ্ধি কেঠা,শুদ্ধি সাধন নই যথা তথা,মানব ধর্ম মরমে গাঁথা।
বিদ্বেষ ভেদাভেদ জ্বীন জানোয়ারদের প্রথা,মানব জনমে এসে হইনা বেবুদা,আপন জীবনে এসে, খুজে নাও খোদা।
চোরের চড়া গলায় মিথ্যাচার,কলীতে হলী বলী ধম্মের আচার,সাধের জীবন সুখের খেলা,পরিনামে হিসাব কষা।
আলোয় ভারে চন্দ্র হাসে,আধার তীরে কেমনে ঢাঁকে,কুমন্ত্রণাতে মানব আত্তাতে,দানব ও জ্বীনের মধ্য হতে।
আশ্রয় কামনা হে মানব অধিপতি, মহাচূর্ণ বিলয়ে মানুষের হও গতি,গুণে পড়ে একুশ শতক,গণনাতীত বইছে কতক ।
এতো কিছু তাও কী শুধুই,বলতে পারো কোনরে অবুঝ,হদ্য হবিষ ভাবনা যাহার,সে জন হলো মুর্খ গোয়ার।
অতীতের পুস্তক পঠিকা, ধর্মের বটিকা,প্রাণ হত্যার চলে ঝটিকা,ধুলিসাৎ করো মানব রুপে এই দানবের নাটিকা।
কেমন মজা সাজলে খাঁজা,ওরা দিলে ভোট তুমি হলে রাজা !রঙ্গীন দুনিয়ার হবে শেষ ,ধুলোকে লুটাবে হারা ।
নিজকে বলছো সঠিক সদা,অপরটা সেতো কালোয় ভজা,নিজকে দিয়ে পরকে চেনা !আপন ভুলে ঘরটা ভরা।
জ্ঞানন্ত নই দুয়ারে ঘর খানা যে, সদায় আসে সদায় ফেরে,সাধ্য কাহার চিনবে তাহার,ঠাণ্ডা জ্বরে ভুগছে জ্বরা।
আলিফ হরফ আ ধরেছে,ওরে বাংলা ভাষায় নেই কি তাতে, ভাষা আমার ভাব প্রকাশে,অন্তরযামী হরতাহ বিশ্বাসে।
যাহার ভাষা প্রাণের স্বাদ-বিষাদ প্রকাশে,মানব জীবনে পেলে তাহা স্বকাশে,ভাষা হারা প্রাণীরা, বিষাদেরী দোযখে।
আরে মানব জনম থাকিতে,জীবনের ভাউ না বুঝিলে,হইয়াছে শুরু হয়ে যাবে শেষ,কোন পরিতাপে ভাবিলে।
জীবন ও জগত অনাদী অনন্ত সৃষ্টি, আমি তুমি সে তাহারা,মেঘ ঝরাই বৃষ্টি, প্রাণ ভরে যায় স্বপ্নীল বাতাসে।
সবুজ আর শ্যামলে, চিত্তের রঙ্গের ভাব ভাষা সুহাসে,অনন্ত চেতনার দেহীফারুক এসেছে, কুসংস্কার সর্বনাশা ধ্বংসে।
হে মানব ছাড়া বিধান বাণ্ডিল, পেলো তাহারা কেমনে,মানবতা যাও লজ্জা দিয়ে,জাতি ধর্ম কোন আড়ম্বনায়ে !
এলো জাতের বৈরীতা রন্ধে,প্রভু পতিপালক কে ভুলে,মেতেছে দুনিয়ারী রঙ্গে,কত রেওয়াজ রীতি নীতি ঢঙ্গে।
পরভাষী পরচর্চা পোড়নে, রাজ্যতন্ত্রের রাজাকারের লোভাতুর ভাষণে,লেবাসে ব্যানারে স্লোগানে,ঝাঁক বেধেছে শয়তানে।
দলে বলে নুয়াই মাথা গাথুনীর পাথরে,দলিল দেস্তাবীদ ছাপা থাকে পুস্তকে,যা পাই মর্মে মানুষে,গোল বেধেছে নাস্তিকে।
ভাবো নাই কখনো হরতাহ বৈমুখ হলে, নরক তোমাদের নেবে টেনে,চক্রে প্রাকৃতিক শাসনে,যার জীবন সেই জানে।
মর্ম প্রাণ থেকে না যাও বাহিরে,কাঁশী-সোনাগয়া-মক্কা-বেথেলহামে নাইরে,নইরে মহাকাশ মহা শুন্যে।
পারো মানব ডেকে পাঠাও অন্তরে,চিত্তের শুদ্ধি চৈত্যন্যের গভীরে,জ্যোতিরময় সত্য রই দাড়ায়ে,অনন্ত দিশারীর দুয়ারে।
আহা আনন্দ ধ্যান নিত্তধ্যামে,বিশ্ববিস্মিত ধন্যিরে জনমে,নিজের ভাষা সুরে,গান করে যাও আপন মনে।
জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব ২
4 thoughts on “জীবন ও জগৎ | গীতিকবি দেহীফারুক | পর্ব ২”
Comments are closed.
দারুণ লিখেছেন মামা
Very Nice speech
Excillent writing… !!!
Am really very great full to read your writing 😊👍😊👍😊👍
thanks my dear